লোড হচ্ছে...
লোড হচ্ছে...
18 অধ্যায় · 700 শ্লোক
মহাভারতের ভীষ্ম পর্বের অন্তর্গত শ্রীকৃষ্ণ ও অর্জুনের সংলাপ। ১৮ অধ্যায় ৭০০ শ্লোক।
অর্জুনের মনস্তাপ
কুরুক্ষেত্রে যুদ্ধক্ষেত্রে দাঁড়িয়ে স্বজনদের দেখে অর্জুনের শোক ও দ্বিধা।
জ্ঞানের সারাংশ
কৃষ্ণ আত্মার অমরত্ব ও স্থিতপ্রজ্ঞ ব্যক্তির লক্ষণ ব্যাখ্যা করেন।
নিষ্কাম কর্মের পথ
কর্তব্য পালনই শ্রেষ্ঠ। ফলের আশা ছাড়া কর্মই প্রকৃত যোগ।
দিব্য জ্ঞান
ধর্মের পুনঃস্থাপনে ঈশ্বরের অবতরণ এবং জ্ঞানযুক্ত কর্মের মহিমা।
কর্ম ত্যাগের তত্ত্ব
কর্মত্যাগ ও কর্মযোগ উভয়ই মুক্তির পথ, কর্মযোগ শ্রেষ্ঠ।
ধ্যানের পথ
যোগী হওয়ার পথে ধ্যান, সংযম ও মনঃসংস্থিতির উপদেশ।
পরমেশ্বরের জ্ঞান
ভগবানের পরা ও অপরা প্রকৃতি, চার প্রকার ভক্তের পরিচয়।
অনন্ত ব্রহ্ম
ব্রহ্ম, অধ্যাত্ম ও কর্মের ব্যাখ্যা; মৃত্যুকালে স্মরণের গুরুত্ব।
রাজ বিদ্যা
গোপনীয় ভক্তির বিজ্ঞান; ভগবান সর্বত্র বিরাজমান।
ঈশ্বরের ঐশ্বর্য
কৃষ্ণ তাঁর বিভূতি ও মহিমা বর্ণনা করেন।
বিশ্বরূপ দর্শন
অর্জুনকে কৃষ্ণ তাঁর বিশ্বরূপ প্রদর্শন করেন।
ভক্তির পথ
নির্গুণ ও সগুণ উপাসনা; প্রিয় ভক্তের লক্ষণ।
প্রকৃতি ও পুরুষ
শরীর ক্ষেত্র, আত্মা ক্ষেত্রজ্ঞ; প্রকৃতি ও পুরুষের পার্থক্য।
তিন গুণের তত্ত্ব
সত্ত্ব, রজঃ, তমঃ — তিন গুণের বর্ণনা ও অতিক্রমের পথ।
পরম পুরুষ
সংসার অশ্বত্থ বৃক্ষ; পরমপুরুষ পরমাত্মার বর্ণনা।
দৈব ও আসুরিক
দৈবী সম্পদ ও আসুরিক সম্পদের লক্ষণ।
তিন প্রকার শ্রদ্ধা
সাত্ত্বিক, রাজসিক, তামসিক শ্রদ্ধা — আহার, যজ্ঞ, তপ, দান।
মোক্ষের পথ
সর্বধর্ম পরিত্যাগ করে কৃষ্ণের শরণাপন্ন হওয়ার পরম উপদেশ।